শীতে ক্যাসুয়াল ও ফরমাল স্টাইলে ছেলেদের মাফলার।

সিজন যেটাই হোক না কেনো ফ্যাশনে যোগ হচ্ছে নতুন মাত্রা। আর এই শীতে সকাল হোক কিংবা রাত, যেকোনো সময় সাজের অঙ্গ হয়ে উঠছে স্কার্ফ। নিজেকে আরো বেশি আকর্ষণীয় করে তুলতে চাইলে অনায়াসেই সহায়তা করবে স্কার্ফের সম্ভার। আর স্কার্ফের রকমফেরও তো কম নয়। বিশেষ করে শীতে পুরুষের জন্য তৈরি স্কার্ফগুলো বেশি ফ্যাশনেবল হয়ে থাকে। উল, নিলেন, কটন কিংবা সিনথেটিক যেকোনো কাপড়েই স্কার্ফ অনেক মানানসই হয়ে থাকে।

অফিস যাওয়ার সময় পোশাকের সঙ্গে মানানসই স্কার্ফ বেছে নিন। বেছে নিন প্রিন্টেড স্কার্ফ। এরপর ঋতুর সঙ্গে তাল মিলিয়ে সিল্ক, কটন, উলের তৈরি যেকোনো স্কার্ফ বেছে নিতে পারেন।

সনাতনি স্টাইল মেনে যদি স্কার্ফ বেছে নিতে চান, তবে কেফিয়ে বা ডেসার্ট স্কার্ফ বেছে নিতে পারেন। এই ধরনের স্কার্ফ স্কয়্যার আকৃতির হয়। সাধারণত, আরবের দেশগুলিতে এই ধরনের স্কার্ফের প্রচলন বেশি।তবে অফিসে ব্যবহারের জন্য এই স্কার্ফ খুব একটা ভালো হবে না। তবে ব্লেজারের সাথে ইনার স্টাইলে পরলে খারাপ লাগবে না।

সাজে যদি আভিজাত্যের রূপ আনতে চান, তবে পশমিনা স্কার্ফ বেশ উপযোগী। উত্তর ভারতে এই ধরনের স্কার্ফের প্রচলন বেশি দেখা যায়। সবসময় ব্যবহারও করা যায়, আবার কোনও অনুষ্ঠানেও।

তবে এটা মাথায় রাখতে হবে পুরুষের দাড়ির জন্য পশমিনা কাপড় তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়।ইউ-নেক টি-শার্ট ও স্মার্ট ব্লেজারের সঙ্গে টিউব স্কার্ফ পরলে বেশ ভালোই দেখতে লাগে। এই ধরনের স্কার্ফ গলায় পেঁচিয়ে পরতে হয়।

শুধুমাত্র শীতকালের ব্যবহারের জন্যই একটি বিশেষ স্কার্ফ পাওয়া যায়। উলের তৈরি সেই স্কার্ফগুলোর ঘনত্ব খুব বেশি হয়। শীতে যদি দু-এক পাক গলায় জড়িয়ে রাখা যায় সেই স্কার্ফ, ঠাণ্ডা কমানোর উপায় তো রয়েছে।


সবসময় সাদা রঙের স্কার্ফ জড়িয়ে রাখেন। এই ধরনের স্কার্ফকে এভিয়েটর স্কার্ফ বলা হয়। এখন বাজারে এই এভিয়েটর স্কার্ফ নানা রঙের পাওয়া যায়। ফর্মাল ড্রেস বা কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে এই ধরনের স্কার্ফ পড়তে পারেন।